🌿 যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন Who Registered —আপনার রেজিস্ট্রেশন শুধু একটি নাম নয়, এটি আমাদের সম্মিলিত শক্তির একটি অংশ।
রেজিস্ট্রেশন করতে ক্লিক করুন এখানে
আসসালা-মু-আলাইকুম।
অনেক আলোচনা, মতামত, প্রত্যাশা, অভিমান, ভালোবাসা, সমালোচনা ও নানা বাস্তবতার মধ্য দিয়ে আমরা আজ এমন একটি জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি, যেখানে এখন আর শুধু “কী হবে?”—এই প্রশ্নটি করার সময় নয়।
এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—
“আমরা কীভাবে এটাকে আমাদের সবার পুনর্মিলনী করে তুলব?”
কারণ এই আয়োজন কোনো একজনের নয়।
কোনো কমিটির নয়।
কোনো নির্দিষ্ট ব্যাচের নয়।
কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়।
এটি আমাদের সবার।
আমাদের শৈশবের, আমাদের কৈশোরের, আমাদের বন্ধুত্বের, আমাদের শিক্ষকদের, আমাদের সেই পুরোনো মাঠের, শ্রেণিকক্ষের, বেঞ্চের, ঘণ্টার শব্দের—অসংখ্য স্মৃতির সম্মিলিত ঠিকানা।
আর সেই কারণেই এখন প্রত্যেকের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

❤️ যারা ইতোমধ্যেই রেজিস্ট্রেশন করেছেন Who Registered —আপনাদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা
প্রথমেই যারা ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ।
আপনারা শুধু নিজের নাম তালিকায় যুক্ত করেননি।
আপনারা একটি বার্তা দিয়েছেন—
“আমি আছি।”
“আমি আমার বিদ্যালয়ের পাশে আছি।”
“আমি আমার পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আবার দেখা করতে চাই।”
“আমি চাই, আমাদের আয়োজনটি সফল হোক।”
আপনার একটি রেজিস্ট্রেশন হয়তো আপনার কাছে খুব ছোট একটি বিষয়।
কিন্তু একটি বড় আয়োজনের ক্ষেত্রে—
একজন + একজন + একজন = শত শত মানুষের সম্মিলিত উপস্থিতি।
তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ—
শুধু নিজে রেজিস্ট্রেশন করে থেমে থাকবেন না।
আপনার ব্যাচের আরও কয়েকজন বন্ধুকে ফোন করুন।
যার সঙ্গে বহু বছর কথা হয়নি—তাকে খুঁজে বের করুন।
যে বিদেশে আছে—তাকে খবর দিন।
যে অভিমান করে দূরে আছে—তাকে ভালোবেসে ডাকুন।
যে বলছে—
“দেখি, পরে করব।”
তাকে বলুন—
“পরে নয় বন্ধু, আগে নামটা লিখিয়ে রাখো। আমরা সবাই মিলে থাকব।”
📣 একজন রেজিস্টার্ড সদস্যের দায়িত্ব আরেকজনকে সঙ্গে নিয়ে আসা
একটি বড় পুনর্মিলনী শুধু আয়োজক কমিটি দিয়ে সফল হয় না।
প্রতিটি ব্যাচের মানুষই আসলে একটি করে ছোট্ট যোগাযোগ কেন্দ্র হতে পারেন।
আপনি যদি ইতোমধ্যে রেজিস্ট্রেশন করে থাকেন, তাহলে আপনার দায়িত্ব হতে পারে—
✅ নিজের ব্যাচের বন্ধুদের খুঁজে বের করা
✅ রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কে জানানো
✅ যারা দ্বিধায় আছে তাদের উৎসাহ দেওয়া
✅ বিদেশে বা দূরে থাকা বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করা
✅ ব্যাচের Messenger/WhatsApp/Facebook গ্রুপে তথ্য পৌঁছে দেওয়া
✅ যারা ভুল বুঝেছেন তাদের সঙ্গে শান্তভাবে কথা বলা
✅ “আমি একা যাব কেন?” ভাবনাটি দূর করা
কারণ আপনি একা গেলে একটি চেয়ার পূর্ণ হবে।
কিন্তু আপনি যদি আরও পাঁচজনকে সঙ্গে আনেন—
তাহলে পাঁচটি চেয়ার নয়, পাঁচটি সম্পর্ক ফিরে আসবে।
Our School, Our Pride, Our Reunion : Beyond Dates and Debates, Building a Celebration That Belongs to Everyone
🔥 আর যারা এখনও রেজিস্ট্রেশন করেননি—আপনাদের উদ্দেশে কিছু কথা
আপনাদের প্রতি কোনো চাপ নয়।
কোনো অভিযোগ নয়।
কোনো ব্যক্তিগত সমালোচনাও নয়।
বরং খুব আপনজনের মতো কয়েকটি কথা বলতে চাই।
হয়তো আপনি ভাবছেন—
“আরও একটু দেখি।”
হয়তো ভাবছেন—
“সবকিছু ঠিকঠাক হলে করব।”
হয়তো মনে করছেন—
“আমার একার না গেলে কী এমন হবে?”
হয়তো কোনো বিষয়ে অভিমান আছে।
হয়তো কারও কথায় কষ্ট পেয়েছেন।
হয়তো মনে হচ্ছে—
“আমাকে তো কেউ ডাকেনি!”
অথবা—
“আমার নামের কীই বা গুরুত্ব?”
অথবা—
“এটা হয়তো অন্যদের অনুষ্ঠান।”
কিন্তু এখানেই একটি কথা মনে রাখা দরকার—
এটি অন্য কারও অনুষ্ঠান নয়। এটি আপনারও অনুষ্ঠান।
আপনি এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।
আপনারও এখানে স্মৃতি আছে।
আপনারও এখানে বন্ধু ছিল।
আপনারও কোনো প্রিয় শিক্ষক ছিলেন।
আপনারও কোনো বেঞ্চ ছিল।
আপনারও কোনো গল্প আছে।
আপনারও কোনো না কোনো মানুষ আছে, যার সঙ্গে দেখা হলে হয়তো ৩০ বছর আগের সেই হাসিটা আবার ফিরে আসবে।
🎓 রেজিস্টার্ড সদস্যদের জন্য সুযোগ-সুবিধা ও করণীয়
🥹 ভাবুন তো—আপনি না গেলে কী হারাবেন?
হয়তো হারাবেন না কোনো অর্থনৈতিক সম্পদ।
কিন্তু হয়তো হারাবেন—
একটি বহুদিন পরের দেখা।
একটি পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আলিঙ্গন।
একজন প্রিয় শিক্ষকের সঙ্গে কয়েক মিনিটের কথা।
একটি পুরোনো ছবির ফ্রেম।
একটি স্মৃতি।
একটি আফসোস—
“ইশ! সেদিন যদি যেতাম!”
জীবনে অনেক অনুষ্ঠান আবার করা যায়।
অনেক জায়গায় আবার যাওয়া যায়।
অনেক মানুষের সঙ্গে আবার দেখা করা যায়।
কিন্তু একই সময়, একই মানুষ, একই বয়সের স্মৃতি, একই বিদ্যালয়ের সেই মানুষগুলোকে নিয়ে একই মুহূর্ত আর দ্বিতীয়বার তৈরি করা যায় না।
💔 “আমার না গেলেও তো অনুষ্ঠান হবে”—এই ধারণাটাই বদলাতে হবে
হ্যাঁ, অনুষ্ঠান হয়তো হবে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—
সেটি কি সত্যিই আমাদের সবার অনুষ্ঠান হবে?
মূল ভাবনাটিও ছিল—সফলতা শুধু আয়োজনের আকারে নয়; প্রত্যেক প্রাক্তন শিক্ষার্থী যেন মনে করেন “এখানে আমারও অংশ আছে”—সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
একজন না গেলে হয়তো কিছুই হবে না।
দুজন না গেলে হয়তো কিছুই হবে না।
কিন্তু সবাই যদি ভাবে—
“আমাকে ছাড়া তো হয়ে যাবে।”
তাহলে একসময় দেখা যাবে—
**অনুষ্ঠান আছে, কিন্তু মানুষ নেই।
মঞ্চ আছে, কিন্তু স্মৃতির মানুষ নেই।
আয়োজন আছে, কিন্তু প্রাণ নেই।**
তাই আপনার উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ।
🌍 আপনি দেশের বাইরে? তবুও আপনার নামটি গুরুত্বপূর্ণ
অনেকেই হয়তো দেশের বাইরে আছেন।
কেউ চাকরির কারণে অন্য শহরে।
কেউ ব্যবসার কারণে দূরে।
কেউ পারিবারিক ব্যস্ততায়।
কেউ হয়তো বহু বছর ধরে নিজের শেকড় থেকে দূরে।
কিন্তু দূরত্ব কখনো শেকড় মুছে দেয় না।
আপনি যেখানে থাকুন—
আপনার পরিচয়ের একটি অংশ আজও সেই বিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত।
তাই দূরে থাকলেও অন্তত আপনার অবস্থানটি জানান।
রেজিস্ট্রেশন করুন।
আপনার বন্ধুদের জানান।
আপনার ব্যাচকে জানান।
সম্ভব হলে অংশগ্রহণ করুন।
আর যদি কোনো কারণে উপস্থিত হতে না-ও পারেন, তবুও আপনার যোগাযোগ ও শুভেচ্ছা এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
🤝 রেজিস্ট্রেশন মানে শুধু নিজের নাম লেখা নয়
অনেকেই হয়তো রেজিস্ট্রেশনকে শুধু একটি ফর্ম পূরণ হিসেবে দেখছেন।
কিন্তু আমরা যদি একটু অন্যভাবে দেখি—
রেজিস্ট্রেশন হলো একটি অংশগ্রহণের ঘোষণা।
“আমি এই স্মৃতির অংশ।”
“আমি এই বিদ্যালয়ের সন্তান।”
“আমি আমাদের প্রজন্মের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাই।”
“আমি চাই আমার বন্ধুরাও আসুক।”
এই ছোট্ট সিদ্ধান্তটিই পরবর্তীতে একটি বড় মিলনের অংশ হতে পারে।
🎯 যারা এখনো দ্বিধায়—আপনার দ্বিধার কারণটি খুঁজে দেখুন
নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুন—
❓ আমি কি সত্যিই যেতে চাই না?
নাকি শুধু সিদ্ধান্তটা পিছিয়ে দিচ্ছি?
❓ আমার কি কারও ওপর অভিমান আছে?
অভিমান থাকতেই পারে।
কিন্তু সেই অভিমানের কারণে কি নিজের বহু বছরের স্মৃতির সঙ্গে দেখা করার সুযোগটাও হারাব?
❓ আমি কি ভাবছি “আমার একার যাওয়ার দরকার কী”?
আপনার একজন বন্ধুও হয়তো ঠিক একই কথা ভাবছে।
আপনি দুজনেই যদি অপেক্ষা করেন—
তাহলে দুজনেরই দেখা হবে না।
❓ আমি কি ভাবছি “আগে দেখি আর কারা যায়”?
তাহলে আপনি নিজেই প্রথম কয়েকজনের একজন হয়ে যান।
আপনি রেজিস্ট্রেশন করুন, আপনার বন্ধুকে ডাকুন।
🔥 “তুমি আগে করো, আমি পরে করব”—এই অপেক্ষাটা এবার শেষ হোক
আমাদের অনেকেরই একটি স্বভাব—
“তুমি আগে যাও, দেখি কেমন হয়।”
“আরও মানুষ হোক, তারপর করব।”
“বন্ধুরা করলে আমিও করব।”
কিন্তু কোনো বড় আয়োজন এভাবে তৈরি হয় না।
কেউ একজনকে প্রথমে বলতে হয়—
“আমি যাচ্ছি।”
তারপর আরেকজন বলে—
“আমিও।”
তারপর আরেকজন—
“আমিও থাকব।”
এভাবেই তৈরি হয় একটি ব্যাচ।
এভাবেই তৈরি হয় একটি প্রজন্ম।
এভাবেই তৈরি হয় একটি পুনর্মিলনী।
👥 প্রতিটি ব্যাচের প্রতি বিশেষ আহ্বান
প্রতিটি ব্যাচের কাছে অনুরোধ—
আজই নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করুন।
একজন দায়িত্ব নিন।
আরেকজন তালিকা করুন।
আরেকজন ফোন করুন।
আরেকজন যারা দেশের বাইরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
তারপর দেখুন—
যে বন্ধুকে আপনি ২০/২৫/৩০ বছর দেখেননি, তাকেও হয়তো খুঁজে পাওয়া যায়।
একটি ফোন কল হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে—
একটি বন্ধুত্ব।
একটি Messenger message হয়তো ফিরিয়ে দিতে পারে—
একটি স্মৃতি।
একটি রেজিস্ট্রেশন হয়তো তৈরি করতে পারে—
একটি ঐতিহাসিক মিলনের মুহূর্ত।
🌱 যারা অভিমান করে দূরে আছেন—তাদের জন্যও একটি কথা
কারও সঙ্গে মতের অমিল থাকতে পারে।
কোনো সিদ্ধান্তে আপনার আপত্তি থাকতে পারে।
কোনো আচরণে কষ্ট পেতে পারেন।
কোনো বিষয় আপনার পছন্দ নাও হতে পারে।
এসব মানুষের সম্পর্কের স্বাভাবিক অংশ।
মূল লেখাতেও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—মতের ভিন্নতা শত্রুতা নয় এবং গঠনমূলক সমালোচনা আয়োজনকে শক্তিশালী করতে পারে।
কিন্তু—
একটি অনুষ্ঠানের সঙ্গে আপনার বহু বছরের সম্পর্ককে কি একটি সাময়িক অভিমান দিয়ে মাপা উচিত?
আজ যাকে আপনি পছন্দ করেন না, তার সঙ্গে কথা না-ই বললেন।
কিন্তু পাশে হয়তো দাঁড়িয়ে থাকবে সেই বন্ধু—
যার সঙ্গে একসময় একই বেঞ্চে বসেছেন।
একই মাঠে খেলেছেন।
একসঙ্গে টিফিন ভাগ করেছেন।
পরীক্ষার আগে একসঙ্গে ভয় পেয়েছেন।
তার সঙ্গে অন্তত একবার দেখা করতে পারেন না?
❤️ আসুন, মানুষকে নয়—স্মৃতিকে বেছে নিই
কেউ বড় নয়।
কেউ ছোট নয়।
কেউ আয়োজক, কেউ সাধারণ সদস্য—এই বিভাজনও নয়।
আমরা সবাই একই পরিচয়ের মানুষ—
বয়ড়া ইসরাইল আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী।
মূল লেখাতেও এই পরিচয়কেই সবচেয়ে বড় অভিন্ন পরিচয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
এই পরিচয়ের সামনে আমাদের ব্যক্তিগত পরিচয়গুলো অনেক ছোট।
📢 যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন—আপনার কাছে আজকের চ্যালেঞ্জ
নিজের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন?
অভিনন্দন। ❤️
এবার থামবেন না।
আপনার লক্ষ্য হোক—
“আমি আরও অন্তত ৩ জন বন্ধুকে রেজিস্ট্রেশন করাব।”
তারপর তাদের বলুন—
“তুমিও আরও ৩ জনকে ডাকো।”
এভাবেই একটি মানুষ থেকে তিনজন।
তিনজন থেকে নয়জন।
নয়জন থেকে ২৭ জন।
একটি ছোট উদ্যোগই বড় অংশগ্রহণের সূচনা করতে পারে।
🚨 আর যারা এখনো রেজিস্ট্রেশন করেননি—শেষ মুহূর্তের অপেক্ষা কেন?
আপনি হয়তো ভাবছেন—
“পরে করব।”
কিন্তু “পরে” অনেক সময় আর আসে না।
জীবন ব্যস্ত।
কাজ ব্যস্ত।
পরিবার ব্যস্ত।
ব্যবসা ব্যস্ত।
চাকরি ব্যস্ত।
প্রবাসের জীবন ব্যস্ত।
এই ব্যস্ততার মধ্যেই তো পুরোনো মানুষদের জন্য একটু জায়গা করে নিতে হয়।
কারণ ব্যস্ততা কখনো শেষ হবে না।
কিন্তু কিছু সুযোগ—
একবার চলে গেলে আর ফিরে আসে না।
🌸 আপনার বিদ্যালয় আপনাকে ডাকছে
ভাবুন—
সেই পুরোনো গেট।
সেই মাঠ।
সেই ভবন।
সেই করিডোর।
সেই শ্রেণিকক্ষ।
আর সেখানে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন বহু বছর পর।
হয়তো পাশে দাঁড়িয়ে আপনার সেই বন্ধু—
যার সঙ্গে শেষ দেখা হয়েছিল বহু বছর আগে।
হয়তো সামনে সেই শিক্ষক—
যিনি কোনো একদিন আপনাকে বকেছিলেন।
আজ হয়তো আপনি দুজনেই হাসবেন।
আর মনে হবে—
“সময় আসলে কত দ্রুত চলে যায়!”
এই অনুভূতির কোনো মূল্য নির্ধারণ করা যায়?
🕊️ তাই সিদ্ধান্তটা শুধু “যাব কি যাব না”—এত ছোট নয়
এটি আসলে—
আমি কি আমার শেকড়ের সঙ্গে আবার একটু সময় কাটাতে চাই?
আমি কি আমার পুরোনো মানুষগুলোকে আরেকবার কাছে পেতে চাই?
আমি কি আমার ব্যাচের স্মৃতির অংশ হতে চাই?
আমি কি চাই আমার সন্তান একদিন বলতে পারুক—আমার বাবা/মা তার পুরোনো বিদ্যালয়ের বন্ধুদের সঙ্গে এমন একটি স্মরণীয় আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন?
যদি উত্তর হ্যাঁ হয়—
তাহলে আর দেরি কেন?
🔥 এখন প্রয়োজন “দর্শক” নয়—অংশগ্রহণকারী
আমরা চাই না কেউ শুধু Facebook পোস্ট দেখুক।
আমরা চাই না কেউ শুধু অন্যের ছবি দেখুক।
আমরা চাই না অনুষ্ঠান শেষে কেউ বলুক—
“ইশ! গেলে ভালো হতো।”
আমরা চাই—
“আমি ছিলাম।”
এই দুটি শব্দই হোক আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।
❤️ শেষ আহ্বান
যারা রেজিস্ট্রেশন করেছেন—
আপনার হাতটি আরেকজন বন্ধুর দিকে বাড়িয়ে দিন।
যারা করেননি—
আপনার নামটিও আমাদের সঙ্গে যুক্ত করুন।
যারা দূরে আছেন—
দূরত্বের অজুহাত নয়, যোগাযোগের একটি সেতু তৈরি করুন।
যারা অভিমান করে আছেন—
অভিমান থাকুক, কিন্তু সম্পর্কটি হারিয়ে যাক না।
যারা ব্যস্ত—
ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের শেকড়ের জন্য একটু সময় রাখুন।
যারা ভাবছেন “আমাকে ছাড়া তো হয়ে যাবে”—
হয়তো অনুষ্ঠান হবে। কিন্তু আপনার অনুপস্থিতির জায়গাটি কেউ পূরণ করতে পারবে না।
কারণ—
আপনার জায়গায় আপনি নিজেই অনন্য।
🌿 আসুন, এবার “আমি যাব কি না” নয়—
“আমরা সবাই কীভাবে থাকব”—এই ভাবনাটি সামনে আনি।
মতভেদ থাকতে পারে—মনভেদ নয়।
অভিমান থাকতে পারে—সম্পর্কচ্ছেদ নয়।
সমালোচনা থাকতে পারে—অবজ্ঞা নয়।
ভিন্নমত থাকতে পারে—বিভাজন নয়।
আর সবচেয়ে বড় কথা—
**ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠান।
অভিমান নয়, ভালোবাসা।
দূরত্ব নয়, পুনর্মিলন।
“আমি” নয়, “আমরা”।**
💚 আপনার একটি রেজিস্ট্রেশন হয়তো শুধু একটি সংখ্যা বাড়াবে না—
এটি আমাদের সম্মিলিত স্মৃতির একটি মানুষকে ফিরিয়ে আনবে।
তাই যারা এখনও অপেক্ষা করছেন—
আর অপেক্ষা নয়।
নিজের জন্য করুন।
বন্ধুর জন্য করুন।
নিজের ব্যাচের জন্য করুন।
নিজের শিক্ষকদের জন্য করুন।
সবচেয়ে বেশি—
নিজের প্রিয় বিদ্যালয়ের জন্য করুন।
কারণ বহু বছর পর ফিরে পাওয়া শৈশবের দরজা প্রতিদিন খোলা থাকে না।
সুযোগ যখন সামনে এসেছে—স্মৃতির এই ডাকটি এবার ফিরিয়ে দেবেন না।
আসুন, আমরা সবাই মিলে প্রমাণ করি—
বয়ড়া ইসরাইল আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি আমাদের সবার শেকড়।
আর সেই শেকড়ের টানে—
আপনার নামটিও থাকুক। ❤️
ধন্যবাদ।
মোহাম্মদ সাইফোদ্দৌলা
প্রাক্তন শিক্ষার্থী
বয়ড়া ইসরাইল আহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়
এস. এস. সি. ১৯৯২
ফোন/হোয়াটসঅ্যাপ : 01711 353 363

Leave A Comment